এবছর গরম হবে অসহনীয় এতে মানুষসহ হাঁপিয়ে উঠবে প্রাণীকুল

সারাদেশে গরমে অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে এবার দ্বিগুন । এতে হাহাকার করবে মাঠসহ রাস্তাঘাট । সর্বত্র চলছে তাপপ্রবাহ। খরতাপে মানুষসহ প্রাণীকুল হাঁপিয়ে উঠতে পারে ।বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে । আকাশে নেই কোনো মেঘের বলয়। এতে সূর্যের তাপ বায়ুমণ্ডলে কোনো বাধা না পেয়ে সরাসরি ভূ-পৃষ্ঠে চলে আসায় বেড়ে যাচ্ছে গরমের তীব্রতা। এই পরিস্থিতি মনে হচ্ছে প্রতি বছরের চেয়ে এবার আরো বেশি প্রভাব ফেলবে। এছারাও দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে। মানুষের সময় কাটবে অসহনীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে। তাই এতে কোন সন্দেহ নেই যে প্রতিবছর য় চেয়ে এবার গরমে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে বেশি। “তাই আমাদের আগে থেকেই সাবধান হওয়া উচিত”।

আমার সোনা বাংলার “মা”

মাঝ রাতে ঘুম আমার ভেংগে যায়,,
এই মন কেঁদে উঠে বেদনায়…
তোমাকে আমার মনে পরে যায়…………
আষাঢ় শ্রাবণ চোখে ফাগুন এর দেখা নাই…
সপ্ন আমার কেন জলে পুড়ে হল ছাই..
কেন প্রেম ভালবাসা মিথ্যে হয়ে যায়
শুখ নেই জিবনের শুন্য খাতায়,
আশার প্রদীপ কেন নিভে যায়…..

ইতিহাসের পাতায় সবার উপরে যে তিঁনি হলেন ইবনে সিনা

ইবনে সিনা নামটি শোনেননি, এমন কাউকে বুঝি

পাওয়াই যাবে না। ছোটবেলা থেকেই আমরা এই সব্যসাচী ব্যক্তির নাম জেনে এসেছি একজন খ্যাতিমান মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে। ইতিহাসের অত্যন্ত গুণী ব্যক্তিদের মাঝে একজন হলেন এই ইবনে সিনা। আমরা এ লেখায় জানতে পারব ইবনে সিনার জীবন নিয়ে- কী ছিল তাঁর কীর্তি, কীভাবেই বা তিনি হলেন এত বিখ্যাত?

ইবনে সিনার একটি পেইন্টিং; source: hmyhero.com
‘ইবনে সিনা’ শব্দের অর্থ হলো ‘সিনার পুত্র’। কিন্তু আসলে কিন্তু তাঁর পিতার নাম ‘সিনা’ ছিল না! তাঁর পুরো নাম ছিল আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল হাসান ইবনে আলী ইবনে সিনা। অর্থাৎ তাঁর অনেক ঊর্ধ্বতন পুরুষ ছিলেন সিনা নামের একজন। কিন্তু এই বিশাল নামকে মানুষ ছোট করতে করতে কেবল শেষের ‘ইবনে সিনা’ (ابن سینا) নামেই ডাকা শুরু করে। আর লাতিনে সেই নামের আরো বিকৃতি সাধিত হয়, নামটা হয়ে যায় Avicenna! তবে ইতিহাসের পাতায় তিনি ইবনে সিনা নামেই পরিচিত হয়ে আছেন অনন্তকালের জন্য।

সে যা-ই হোক, ইবনে সিনার জন্ম ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে; বুখারার কাছের এক গ্রামে, এখন সেটা উজবেকিস্তানে, এক ইসমাইলি শিয়া পরিবারে। তার বাবার নাম ছিল আব্দুল্লাহ, তিনি নিজে শিয়া হলেও কাজ করতেন সুন্নি সামানিদ সরকারের শাসনাধীনে। পাঁচ বছর পর ইবনে সিনার ছোট ভাই মাহমুদের জন্ম হয়।

ইবনে সিনার একটি মূর্তি; source: Emaze
১০ বছর বয়স হবার আগেই ইবনে সিনা কুরআনে হাফেজ হয়ে গেলেন। এক ভারতীয় সবজি-ফল বিক্রেতা থেকে তিনি ভারতীয় পাটিগণিত শিখেছিলেন। এর মাঝেই তিনি দেখা পেয়ে যান এক যাযাবর বিদ্বান লোকের, তাঁর কাছ থেকে আরো জ্ঞান নিতে লাগলেন তিনি। ইসমাইল আল জাহিদ নামের একজন সুন্নি হানাফি শিক্ষকের কাছ থেকে তিনি ইসলামি ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। পড়ে ফেলেন ইউক্লিড আর টলেমির লেখাও!

একটু বড় হবার পর ইবনে সিনা পড়তে শুরু করলেন অ্যারিস্টটলের ‘মেটাফিজিক্স’; কিন্তু অনেক কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। ৪০ বার তিনি সেই বইটি পড়েন বলে কথিত আছে, মুখস্তই হয়ে যায় তাঁর, কিন্তু অর্থ তো তিনি আর বুঝতে পারছেন না! পরে তিন দিরহাম দিয়ে তিনি একদিন আল-ফারাবির লেখা ব্যাখ্যা গ্রন্থ কিনলেন, সেটা পড়বার পর বিষয়গুলো পরিস্কার হয় তাঁর কাছে। খুশিতে তিনি শুকরানা আদায়ের উদ্দেশ্যে গরিব-দুঃখীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন।

এরপর দর্শনের পোকা ঢুকে যায় তার মাথায়। পরের দেড় বছর অনেক কিছুই পড়লেন তিনি, কিন্তু অনেক বাধার সম্মুখীন হলেন বুঝতে গিয়ে। কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে তিনি উঠে পড়তেন, ওজু করে মসজিদে নামাজ পড়তেন, যতক্ষণ না মাথা খোলে। গভীর রাত পর্যন্ত পড়তেন তিনি, অনেক সময় রাতে ঘুমের মাঝে স্বপ্নে তাঁকে হানা দিত নানা কঠিন সমস্যা। স্বপ্নেই সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করতেন তিনি।

১৬ বছর বয়স থেকে ডাক্তারির নেশা জাগে তাঁর। পড়তে শুরু করেন আর আবিস্কার করতে থাকেন নতুন নতুন চিকিৎসার উপায়। ১৮ বছর বয়সেই পুরোদমে ডাক্তার হয়ে গেলেন তিনি! তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ল দূর-দূরান্তে, বিনা পয়সাতেও চিকিৎসা করতেন ইবনে সিনা।

১২৭১ সালে আঁকা ইবনে সিনার একটি ছবি; source: উইকিমিডিয়া কমন্স।
৯৯৭ সালে আমির নূহ ব্যক্তিগত ডাক্তার পদে নিয়োগ দেন ইবনে সিনাকে, কারণ তিনি নূহের মরণ রোগের চিকিৎসা করেছিলেন এবং তিনি সেরে উঠেছিলেন। তাঁর পুরস্কার হলো সামানিদদের রাজকীয় লাইব্রেরি ব্যবহারের সুযোগ। পরে সেই লাইব্রেরি আগুনে পুড়ে যায়; ইবনে সিনার শত্রুরা দাবি করে যে, আগুন ইবনে সিনাই লাগিয়েছিলেন, যেন কেউ তাঁর জ্ঞানের উৎস জানতে না পারে।

কাজের পাশাপাশি বাবাকে সাহায্য করতেন ইবনে সিনা, আর বই লিখতেন। তাঁর বাবা মারা যান অকালে, এদিকে সামানিদ সাম্রাজ্যের আয়ুও শেষ হয়ে আসে। গজনির সুলতান মাহমুদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি উত্তর দিকে রওনা দেন। খোরাসান এলাকায় যাযাবরের মতো ঘুরতে ঘুরতে তিনি তাঁর মেধা কাজে লাগাবার চেষ্টা করতে লাগলেন। নানা বাধা-বিপত্তির পর কাস্পিয়ান সাগরের কাছে গোর্গান এলাকায় এক বন্ধুর কাছে আশ্রয় পেলেন তিনি। সেখানে জ্যোতির্বিদ্যা আর যুক্তিবিদ্যার উপর লেকচার দিয়েই তাঁর উপার্জন হতো। এখানেই তিনি তাঁর মাস্টারপিস ‘আল কানুন ফি আত-তিব’ (The Canon of Medicine) রচনা শুরু করেন বলে ধারণা করা হয়।

আল কানুন আল ফিত-তিব বইয়ের প্রথম পাতা; source: উইকিমিডিয়া কমন্স।
পরে বর্তমান তেহরান যে এলাকায়, সেখানে চলে আসেন ইবনে সিনা, এখানে তিনি তাঁর ৩০টির মতো ছোট ছোট বই লিখেন। এরপর তিনি হামাদানে চলে যান, সেখানে এক উচ্চবংশীয় নারীর সেবায় নিযুক্ত হন। কিন্তু সেখানকার আমির তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে উপহারসামগ্রী সহ বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তিনি উজির পদও পান, কিন্তু এই পদ থেকে আমির তাঁকে বরখাস্ত করেন এবং এলাকা থেকে নির্বাসিত হবার আদেশ দেন। ইবনে সিনা ৪০ দিন লুকিয়ে ছিলেন শেখ আহমেদ ফাজলের বাড়িতে। কিন্তু আমির নিজেই অনেক অসুস্থ হয়ে পড়লে ইবনে সিনা নিজের ‘উজির’ পদ ফিরে পান, তিনি ডাক্তার পদেও নিযুক্ত হন। প্রতি সন্ধ্যায় তাঁর বই ছাত্রদের পড়ানো হত। আমিরের মৃত্যুর পর ইবনে সিনা উজির পদ ছেড়ে দিয়ে আরো লেখালিখিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, থাকতেন এক গোপন জায়গায়।

নতুন আমির তাঁর গোপন জায়গার খোঁজ পাবার পর তাঁকে কারাবন্দী করেন এক দুর্গে। এদিকে ইস্পাহান আর হামাদানের মাঝে যুদ্ধ লেগে যায়। ১০২৪ সালে ইস্পাহানের দখলে আসে হামাদান। ইবনে সিনে তাঁর লেখার কাজ সম্পন্ন করেন, তবে এই অশান্তির শহর থেকে তিনি পালাবেন বলে স্থির করেন। তাঁর ভাই, প্রিয় ছাত্র ও দুজন দাসের সাথে তিনি সুফি দরবেশের বেশ ধরে পালিয়ে ইস্পাহানে চলে যান। সেখানে তাঁকে রাজকীয়ভাবে বরণ করা হয়।

বাকি ১০-১২ বছরের জীবন তাঁর কাটে কাকুয়িদ শাসক মুহাম্মাদ ইবনে রুস্তমের ডাক্তার ও উপদেষ্টা হিসেবে। তিনি যুদ্ধ অভিযানেও যেতেন। হামাদানের বিরুদ্ধে এক যুদ্ধের সময় তাঁকে তলপেটের ব্যথা কাবু করে ফেলে, দাঁড়াতেই পারছিলেন না তিনি। পরে আরেক অভিযানে আবারও এই একই ব্যথা তাঁকে ধরাশায়ী করে ফেলে।

এই রোগই তাঁর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। মৃত্যুশয্যায় শায়িত অবস্থায় তাঁকে অনুতাপ আঁকড়ে ধরে। তিনি দরিদ্রদের মাঝে সম্পদ বিলি করে দেন, তাঁর দাসদের মুক্ত করে দেন। প্রতি তিন দিন পর পর তিনি কুরআন তিলাওয়াত করতে লাগলেন। ৫৮ বছর বয়সে, ১০৩৭ সালের জুন মাসে তিনি মারা যান, সময়টা ছিল রমজান। তাঁকে সমাহিত করা হয় ইরানের হামাদানেই।

ইরানের হামাদানে ইবনে সিনার সমাধি; source: উইকিমিডিয়া কমন্স
ইবনে সিনার বেশিরভাগ লেখাই আরবিতে। তবে কিছু লেখা আছে ফার্সিতে। আলবার্টাস ম্যাগনাস, থমাস অ্যাকিনাস প্রমুখ ইবনে সিনার মতবাদে প্রভাবিত ছিলেন। তাঁর পাঁচ খণ্ডের আল কানুন আল ফিত-তিবকে বলা হয় মেডিক্যাল শাস্ত্রের বাইবেল। বইগুলো সব লেখা শেষ হয় ১০২৫ সালে। এই বই এতই বহুমুখী ছিল যে, মধ্যযুগীয় ইউরোপে একে আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হতো এবং অষ্টাদশ শতকে পাঠ্যবই হিসেবে পড়ানো হতো। গ্যালেনের মতবাদকে প্রবলভাবে প্রভাবিত করে ইবনে সিনার এ বই। তাছাড়াও একশ’রও বেশি বই ইবনে সিনা লিখে গিয়েছিলেন।

মুসলিম চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত ইবনে সিনার নামে এ দেশে হাসপাতাল রয়েছে। কিন্তু মজার বিষয়, সৌদি আরবে এরকম ফতোয়াও দেয়া হয়েছে যে, স্কুল-কলেজ কিংবা হাসপাতাল ইত্যাদির নামকরণ ইবনে সিনার নামে করা যাবে না! কারণ তিনি নাকি মুসলিম ছিলেন না। এর আগে ইবনে তাইমিয়াও তাঁকে অমুসলিম বলে অভিহিত করেছিলেন; ইবনুল কায়্যুম ইবনে সিনা কীভাবে একে একে ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ ত্যাগ করেছিলেন, সে বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করেন। তাদের মতে, ইবনে সিনা বিশ্বাস করতেন না যে, মহাবিশ্বের শুরু বা শেষ আছে কিংবা মৃত্যুর পর জীবন আছে। ইমাম গাজ্জালিও ইবনে সিনাকে ‘কাফির’ উপাধি দেন পুনরুত্থান অস্বীকারের কারণে! ইবনে সিনার ধর্ম কী ছিল, তিনি নাস্তিক ছিলেন কিনা- সে নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্কের আগুন!

তবে ইবনে সিনার নিজের উক্তিটিই যেন সেই আগুনে জ্বালানি

“The world is divided into men who have wit and no religion and men who have religion and no wit.” অর্থাৎ “এ দুনিয়ার লোকেরা দুই দলে বিভক্ত- এক দলের ধর্ম নেই কিন্তু বুদ্ধি আছে, আরেক দলের বুদ্ধি নেই কিন্তু ধর্ম আছে।“

তবে এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, ইবনে সিনা ছোট বেলাতেই কুরআনে হাফিজ হন, তবে পরে গিয়ে ‘হয়তো’ দূরে সরে যান ধর্ম থেকে। বলা হয়ে থাকে, তিনি শেষ বয়সে আবার ধর্মে ফিরে আসেন। তিনি কুরআনের সুরার ব্যাখ্যা নিয়ে ৫টি পুস্তিকা লিখেন, এর মাঝে একটি ছিল ‘নবীত্বের প্রমাণ’ শিরোনামে। তিনি যুক্তিবিদ্যা দিয়ে কুরআনের ব্যখ্যাও দিয়েছিলেন। ‘আল বুরহান আল সিদ্দিকিন’ নামে একটি যুক্তির সাহায্যে তিনি ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন বলে জানা যায়।

তবে ইবনে সিনার বিশ্বাস নিয়ে যত বিতর্কই থাকুক না কেন, ইতিহাসের পাতায় যে তিনি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদদের একজন হিসেবে চিরস্মরণীয় থাকবেন, সে বিষয়ে নেই কোনো সন্দেহ।

সময় থাকতে সঠিক ধর্মপথ অবলম্ব করুন 

আমি কাউকে ছোট করছি না, ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে

দেখবেন সবাই, সবার কাছে অনুরোধ রইলো ।

হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন না।।

আমি শুধু জানতে চাই….?

রিগবেদ

অধ্যায়-৩, খন্ড-৩১, শ্লোক: ১-২ ‘‘পিতা

তার মেয়ের সাথে অশ্লীলকর্মে

লিপ্ত’’- এছাড়া মা- ছেলে দূষ্কর্ম,

এমন বিশ্রি বনর্না যেই গ্রন্থে তা কি

করে সৃষ্টিকর্তার বানী হতে পারে ?

শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে মারা

যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয়

একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়

তার স্ত্রীর দুধ দিয়ে শিবের

গোপন অঙ্গ ধৌত করে? এটা কি

সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? এমন কুরুচিপূর্ন

আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে পারেন ?

শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে

চিনতে পারেনি গর্দান কেটে

ফেলেছিলেন তাহলে তিনি তার

সৃষ্টিকে কি করে চিনবেন? ভুলে

যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য ?

দেবদাসীর ও যোগিনীর মত পতিতা

চরিত্রের সাথে ভগবান ওব্রাহ্মনগন কি

করে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন? যদি তারা

প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন।

অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ নারী, মুখে ও

দাতেঁ রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার

কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে ?

উদাহরন- দূর্গা কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা

হয় তবে সে কেন তার মামীর সাথে

অবৈধ সম্পর্ক রাখলো? তবে কি

সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে এমন অবৈধ

কর্মে লিপ্ত হয় যা তার নিজেরাই

আইনের বর্হিভূত ?

কিভাবে রাম

সৃষ্টিকর্তা হতে পারে কারন সে

প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম

গেছে, বিয়ে করেছে

দৈহিকতারনায়, রাম নিজের স্ত্রীকে

সন্দেহ করেছে এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম ?

যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন কেন তিনি

হনুমানের সাহায্য চাইবেন? তাহলে

কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি আছে ?

রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন অকারনে

খুন করলেন যেখানে রামের সাথে

তাদের কোন শত্রুতা ছিলনা ?

সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব ?

রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে

লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে তবে রাম

সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো

তাও আবার হনুমানের সাহায্যে?

শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি

করে বেশি হওয়া সম্ভব ?

কৃষ্ণা একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কিভাবে নারীদের

স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ও তাদের

পোষাক লুকিয়ে রেখে দেন ?

গরু হিন্দুদের মা,গরুর পেট থেকে তো গরুর

বাচ্চা হয় মানুষের বাচ্চা তো হয়না

তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয় ?

গরু তাদের মা, তাই তারা দুধ খায়,

গোশত খায়না। অথচ ঐ মায়ের চামড়া

দিয়ে জুতা বানিয়ে তা পায়ে দেয়।

কেনো মায়ের এই অমর্যাদা ?

গরুর চামড়ার ঢোল না পিটালে তাদের

পূজা হয়না, গরুকে হত্মা করে তার

চামড়া দিয়ে ঢোল বানাতে হয়।

কেনো মায়ের এই পরিনতি ?

এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর কারো জানা থাকলে আমাকে

জানাবেন।

আর আপনারা সবাই চলে আসুন ইসলাম ধর্মের ছায়া

তলে দেখুন কি শান্তির ধর্ম ইসলাম,,,

আলোর নামে অন্ধকার রাষ্ট্র 

  • শুনিতে পাই  ইংরেজরা অনেক বছর পৃর্বে  আমাদের উপর নির্যাতন  করত তারা অনেক অসভ্য বর্বর ছিল 

আমাদের উপর অনেক  অত্যাচার  করত সেটি  তাদের কাছে  সাভাবিক  ছিল কারন আমরা তো আর তাদের  দেশের  নাগরিক ছিলামনা  তাই আমাদের উপর নির্যাতন  করতে  তাদের  মায়া  লাগতো না ।  শুধু তারাই নয়  পাকিস্তানি  ও আমাদের উপর অনেক নির্যাতন  করত অন্যায়  ভাবে  হত্যা, খুন, গুম, মা বোন দের  কে ধর্ষন  শুধু  তাই ছিল না ঘুমন্ত মানুষের উপর বাড়ীতে আগুন  লাগানো   তাদের  যে  ভাবে ইচ্ছে  সে ভাবে তারা নির্যাতন  করতো  শুনতে পাই আমাদের দেশের  নাকি অনেকই আবার (রাজাগার)  তাদের কে সাহায়্য করত তাদের  নিজেদের প্রানের ভয়ে  কেউ  বা অর্থের  লোভে  যাই হোক তারাতো সবাই অসভ্য  বর্বর ছিল, ছিল নির্দয়াবান নিকৃষ্ট  তা না হলে  এভাবে কেউ নির্যাতন করতে পারে?   তখন থেকে  শুরু করে আজ পর্যন্ত আমরা ক্রমশ সভ্য হইতে  সভ্যতর হয়েছি   শিক্ষায়,  অর্থ সম্পদে, আমরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে ও জাতির  সমকক্ষ  হইতে             চলিয়াছি।  এখন আমাদের সভ্যতা ও ঔশ্বর্য  রাখিবার স্থান নাই।  সত্যইতো  এইযে  অভ্রভেদী পাঁচতলা  হইতে বাড়ী, যোগাযোগের জন্য . এসি  গাড়ী, মূহরত মধ্য তথ্য আদান প্রদান এর জন্য রয়েছে ইন্টারনেট, ধনি ব্যাক্তি দের  জন্য অট্র্যালিকা বড়ী,  আসলে কি সভ্যতা  ও মানবতা মানে এই?  ইংরেজরা  আমাদের  শাসক নামে শোসক  ছিল  তখন কার তুলনায়  এখন  অমিল  কোথায়?   তখন  তো  আর  তাদের মানবতা ছিল না।  আজ তো  আমাদের মানবতা রয়েছে,  আজ  তো  আমরা সভ্য হয়েছি,   তারা তো  ছিল নির্দয়াবান  তাই তো  আমাদের উপর  নির্যাতন করতে দিধা করেনি,   কিন্তু  আজ তো আমরা ভাই ভাই তবে কেন  আমাদের মধ্য এত  সহিংসতা? কেন  এত রক্ত পাত, কেন নির্মুম হত্যা?  নাকি আজ  আমরা সভ্য ও মানবতর  হয়েছি  তাই বলে?  তাদের তো আর কোন মানবতা ছিল না,  তবে আমাদের মানবতা কি এই?  শুনেছি  মির্জাফর ছিল  দুর্নীতির সেরা  আমরা  কি দুর্নীতিতে  শীর্ষক স্থান  দখল করি  নাই কি?   তাদের  যদি  মানবতা  না থাকে  তবে  আমাদের  মানবতা  কোথায়?   পাকিস্তানি  আমাদের উপর  অন্যায়  ভাবে  নির্যাতন। করত,  অন্যায় ভাবে হত্যা করত, ছিল না  আমাদের কোন স্বাধিনতা  ছিল না। ছিল না মানব অধিকার তবে আজ কি আমরা স্বাধিনতা  পেয়েছি  কি?  পেয়েছি মনব অধিকার ?  যদি  স্বাধিন অর্থ  শুধু  পরাধিন  হতে মুক্তি  পাওয়া  যদি  তাই হয় তবে  স্বাধিন।তবে আমরা কি রকম স্বাধিন  কি রকম আমাদের মানব অধিকার  তা আপনারা খুব ভাল করেই জানেন।  কোথায় আমাদের  মানব অধিকার ?  কেন আমাদের মাঝে এত সহিংসতা?      রাজনীতি কারনে কেন দেশের মধ্য  এত অসান্তি?  কেন সাধারন মানুষের উপর নির্যাতন ?  আসলে  এর  মুল কারণ কি? আমি  মনে করি নির্শ্চয় এর  কারন  হচ্ছে  নিজেকে বড় মনে করা মানুষে মানুষের আত্নার ভালবাসা  না থাকার কারনে,  একে  অপর কে হিংসা করা,  ধূর্ম – বর্ন –  গোষ্ঠীর দোহাই দিয়ে  মানুষ মানুষকে পরস্পর  থেকে দৃরে ঠেলে দিচ্ছে  এসব থেকে কেবল মুক্তি পেলেই আমাদের মাঝে  শান্তি  বিরাজ করবে। বিশ্বাস মানুষ  হিসেবে  স্বীকৃতি পেয়ে পরিচিত হয়ে  ওঠার  চেয়ে   সম্মানের আর কিছু হতে পারে না।  আমার   বিশ্বাস মানুষ  হিসেবে  স্বীকৃতি পেয়ে পরিচিত হয়ে  ওঠার  চেয়ে   সম্মানের আর কিছু হতে পারে না। 

আলোর নামে অন্ধকার রাষ্ট্র 

  • শুনিতে পাই  ইংরেজরা অনেক বছর পৃর্বে  আমাদের উপর নির্যাতন  করত তারা অনেক অসভ্য বর্বর ছিল 

আমাদের উপর অনেক  অত্যাচার  করত সেটি  তাদের কাছে  সাভাবিক  ছিল কারন আমরা তো আর তাদের  দেশের  নাগরিক ছিলামনা  তাই আমাদের উপর নির্যাতন  করতে  তাদের  মায়া  লাগতো না ।  শুধু তারাই নয়  পাকিস্তানি  ও আমাদের উপর অনেক নির্যাতন  করত অন্যায়  ভাবে  হত্যা, খুন, গুম, মা বোন দের  কে ধর্ষন  শুধু  তাই ছিল না ঘুমন্ত মানুষের উপর বাড়ীতে আগুন  লাগানো   তাদের  যে  ভাবে ইচ্ছে  সে ভাবে তারা নির্যাতন  করতো  শুনতে পাই আমাদের দেশের  নাকি অনেকই আবার (রাজাগার)  তাদের কে সাহায়্য করত তাদের  নিজেদের প্রানের ভয়ে  কেউ  বা অর্থের  লোভে  যাই হোক তারাতো সবাই অসভ্য  বর্বর ছিল, ছিল নির্দয়াবান নিকৃষ্ট  তা না হলে  এভাবে কেউ নির্যাতন করতে পারে?   তখন থেকে  শুরু করে আজ পর্যন্ত আমরা ক্রমশ সভ্য হইতে  সভ্যতর হয়েছি   শিক্ষায়,  অর্থ সম্পদে, আমরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে ও জাতির  সমকক্ষ  হইতে             চলিয়াছি।  এখন আমাদের সভ্যতা ও ঔশ্বর্য  রাখিবার স্থান নাই।  সত্যইতো  এইযে  অভ্রভেদী পাঁচতলা  হইতে বাড়ী, যোগাযোগের জন্য . এসি  গাড়ী, মূহরত মধ্য তথ্য আদান প্রদান এর জন্য রয়েছে ইন্টারনেট, ধনি ব্যাক্তি দের  জন্য অট্র্যালিকা বড়ী,  আসলে কি সভ্যতা  ও মানবতা মানে এই?  ইংরেজরা  আমাদের  শাসক নামে শোসক  ছিল  তখন কার তুলনায়  এখন  অমিল  কোথায়?   তখন  তো  আর  তাদের মানবতা ছিল না।  আজ তো  আমাদের মানবতা রয়েছে,  আজ  তো  আমরা সভ্য হয়েছি,   তারা তো  ছিল নির্দয়াবান  তাই তো  আমাদের উপর  নির্যাতন করতে দিধা করেনি,   কিন্তু  আজ তো আমরা ভাই ভাই তবে কেন  আমাদের মধ্য এত  সহিংসতা? কেন  এত রক্ত পাত, কেন নির্মুম হত্যা?  নাকি আজ  আমরা সভ্য ও মানবতর  হয়েছি  তাই বলে?  তাদের তো আর কোন মানবতা ছিল না,  তবে আমাদের মানবতা কি এই?  শুনেছি  মির্জাফর ছিল  দুর্নীতির সেরা  আমরা  কি দুর্নীতিতে  শীর্ষক স্থান  দখল করি  নাই কি?   তাদের  যদি  মানবতা  না থাকে  তবে  আমাদের  মানবতা  কোথায়?   পাকিস্তানি  আমাদের উপর  অন্যায়  ভাবে  নির্যাতন। করত,  অন্যায় ভাবে হত্যা করত, ছিল না  আমাদের কোন স্বাধিনতা  ছিল না। ছিল না মানব অধিকার তবে আজ কি আমরা স্বাধিনতা  পেয়েছি  কি?  পেয়েছি মনব অধিকার ?  যদি  স্বাধিন অর্থ  শুধু  পরাধিন  হতে মুক্তি  পাওয়া  যদি  তাই হয় তবে  স্বাধিন।তবে আমরা কি রকম স্বাধিন  কি রকম আমাদের মানব অধিকার  তা আপনারা খুব ভাল করেই জানেন।  কোথায় আমাদের  মানব অধিকার ?  কেন আমাদের মাঝে এত সহিংসতা?      রাজনীতি কারনে কেন দেশের মধ্য  এত অসান্তি?  কেন সাধারন মানুষের উপর নির্যাতন ?  আসলে  এর  মুল কারণ কি? আমি  মনে করি নির্শ্চয় এর  কারন  হচ্ছে  নিজেকে বড় মনে করা মানুষে মানুষের আত্নার ভালবাসা  না থাকার কারনে,  একে  অপর কে হিংসা করা,  ধূর্ম – বর্ন –  গোষ্ঠীর দোহাই দিয়ে  মানুষ মানুষকে পরস্পর  থেকে দৃরে ঠেলে দিচ্ছে  এসব থেকে কেবল মুক্তি পেলেই আমাদের মাঝে  শান্তি  বিরাজ করবে। বিশ্বাস মানুষ  হিসেবে  স্বীকৃতি পেয়ে পরিচিত হয়ে  ওঠার  চেয়ে   সম্মানের আর কিছু হতে পারে না।  আমার   বিশ্বাস মানুষ  হিসেবে  স্বীকৃতি পেয়ে পরিচিত হয়ে  ওঠার  চেয়ে   সম্মানের আর কিছু হতে পারে না। 

এদের কিরকম  ইবাদত।    অমুসলিমরা মুসলমাদের হত্তা করে আর এরা খায় আর মসজিদের কোনে ঘুমায়

ওনাগোর ঈমানোই নাকি ঠিক নাই, ওনারা নিজেরাই বলে থাকেন। তাই আগে ওনাগোর ঈমান ঠিক করা লাগবো।! আল আকসা মসজিদ দিয়া কি হইবো? নাইম্মা মাইর খাইবো নাকি?  মসজিদে মসজিদে গাট্টি বস্তা নিয়া  ভ্রমন আর মজাদার খিচুরী খাওয়ার মধ্য দিয়াই ইসলাম আইছে!!!!!!!তাগোর কাছে বদর, ওহুদের প্যাচাল পাইরা কোন লাভ নাই।

কেনো  তোমরা  অমুসলিমদের সাথে যুদ্ধো করো না যারা  মুসলমানদেন  উপর  অত্যাচার করে। 

                  

          

তোমাদের  কি হয়েছে  যে, তোমরা  আল্লাহর  রাহে  জিহাদ করো না??  এবং পুরুষ ও নারী  শিশুদের মধ্যে যারা  দুর্বল  তারা বলে,  হে আমাদের  প্রতিপালক!   এই জনপদ যারা অধিবাসী অত্যাচারী তা থেকে আমাদের কে  অন্যত্র নিয়ে যাও,  তোমার তরফ থেকে  আমাদের জন্য কোন লোককে  আমাদের  অভিভাবক করো  এবং তোমার নিকট  থেকে  আমাদের  জন্য কোন সহায়ক প্রেরন করো।    
যারা ঈমানদার  তারা আল্লাহর রাহে  জিহাদ করে,আর যারা কাফির তারা শয়তানের  পথে  যুদ্ধ করে।  অতএব তোমরা শয়তানের  বন্দুদের  সাথে  যুদ্ধে লিপ্ত হও। নিশ্চয়ই শয়তানের  প্রচেষ্টা দুর্বল।

       সূরা নিসা    (৭৫-৭৬)

দেখুন   বাংলাদেশ কেমন সুন্দর 

পৃথিবীর মান চিত্রে বাংলাদেশ নামে ছোট একটি দেশ রয়েছে

যে দেশটাকে  সবাই  সবুজ, শ্যামল, অরন্য  ও নানা রকম ফুল ও ফল

হিসেবেই চিনে থাকে সৌন্দর্য  বা রৃপসী বাংলাদেশ শান্তিময় দেশ

আসলেই কি বাংলাদেশ সৌন্দর্য ও শান্তিময়ীদ দেশ ?

হ্যাঁ সৌন্দর্য কিন্তু  শান্তিময় নয় ।  আসলে  সৌন্দর্যই বা

বলি ক্যামনে যে সৌন্দর্য্যর মধ্য রয়েছে  ভয়, ভীতি, রক্ত

যে সৌন্দর্যের মধ্য রয়েছে  আতংক।  পথে ঘাটে  অলিতে গলিতে

রক্তাক্ত লাশ সবার মনে ভয়ভীতি   প্রতিদিন হচ্ছে  খুন, গুম, ধর্ষন

ও নানা  রকম নির্যাতন  আসলে  কেন  এমনটা  হচ্ছে    

এর আসল কারনটা  কি????

কেন পুলিশ জনগনকে  অন্যায় ভাবে নির্যাতন  করে????

কেনইবা  দিন দিন  সাধারন  মানুষ  জঙ্গি  হয়। কেমন করে

অপরাধী জেলের বাহিরে  আর  বিনাঅপরাধী  জেলের ভিতরে     

কেন হচ্ছে জনগন হয়রানি  কেনইবা  ফিরে পাচ্ছে না

জনগনের    অধিকার   যদি  বলি  এর মৃলে  রয়েছে  সরকার

কথাটি কি অন্যায়  হবে  চিন্তা করে  দেখলাম অন্যায় হবে না    কারণ  সরকারই  পারে  তার

রাষ্ট্রের সকল কিছু সমাধান করতে     

তাই আমরা  জনগন দেশের  শান্তি  চাই।  অসান্তি নয়।

আমাদের দেশটা  যেমন সৌন্দর্য তেমনই চাই শান্তি

সুধু সৌন্দর্য  নামটি রেখে  মাফল বানাবেন  না।  

আমাদের এই সুন্দর  দেশের  মধ্য যদি শান্তি  না থাকে

তবে কি হবে  দেশের  উন্নয়ন ও সৌন্দর্য দিয়ে  ।

আমি চাই  দেশের  শান্তি  সকলেই কাধে   কাধ মিলিয়ে  এক পথে চলতে।

                                              মোঃ বেলাল হোসাইন 

                                                       সিরাজগঞ্জ