জীবনে সুখ পাওয়া যত টা সহজ শান্তি পাওয়া ততোটা নয়।

বুয়েট পাস এমন একজনকে জানি যার বিবাহিত জীবনের১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে।
তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই। 
#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে জানি যার বউ, দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে।তার জীবনে সফলতা পূর্ণতা সবই ছিলো কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি। 
#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, লেখা পড়া শেষ করে
ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে ,তারপর
বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে।
শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি।
ভালোচাকুরী মানেই কি সব কিছু?
#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো।
ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও। 
#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি।
শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায়
ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।
#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে বাবা মাকে বিয়ের কথা
উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি।
টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।
#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ।
বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই।
চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। “সফলতা মানেই সুখ” বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা। 
#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলো….
বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ।
আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি।
জীবনে কি পেলাম? সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু এ কথা তার কাছে হাস্যকর।
#আসলেই জগতে কে সুখে আছে?
টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে?
জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ?
একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক-জন!!
#সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার এক পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!!
শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!!
আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না।
আমরা কখনো পরিপূর্নভাবে সুখীও হতে পারি না।।
বাস্তবতাগুলো বড় ফ্যাকাশে,
স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না
বুয়েট পাস এমন একজনকে জানি যার বিবাহিত জীবনের১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে।
তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই। 
#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে জানি যার বউ, দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে।তার জীবনে সফলতা পূর্ণতা সবই ছিলো কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি। 
#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, লেখা পড়া শেষ করে
ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে ,তারপর
বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে।
শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি।
ভালোচাকুরী মানেই কি সব কিছু?
#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো।
ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও। 
#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি।
শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায়
ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।
#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে বাবা মাকে বিয়ের কথা
উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি।
টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।
#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ।
বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই।
চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। “সফলতা মানেই সুখ” বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা। 
#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলো….
বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ।
আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি।
জীবনে কি পেলাম? সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু এ কথা তার কাছে হাস্যকর।
#আসলেই জগতে কে সুখে আছে?
টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে?
জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ?
একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক-জন!!
#সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার এক পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!!
শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!!
আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না।
আমরা কখনো পরিপূর্নভাবে সুখীও হতে পারি না।।
বাস্তবতাগুলো বড় ফ্যাকাশে,
স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না

তোমার জন্য কিছু কথা।

ভালবাসা হল দুটি মন এক হওয়া।

আজ থেকে একহাজার শীত বসন্ত শেষে এই পথে যদি আছি আবার , সঙ্গে সেই সৃতিভর রংচটা সেই গিটার, সেই অহংকার আগুন, সেই জোয়ার, এইতো সব থাকবে ,সেই আগেকার মতোই পাবো কি দেখা রাজশ্রী তেমার ।হয়তো পথের ধারে পাবো বারে বারে আমার শৈশব কৈশর অমলনীল, পাবো মায়ের আচল প্রিয়া বধূর কাজল, অগভীর ধান শিরির দিন প্রতিদিন, থাকবে একলা চলা নয়তো সঙ্গে বল। থাকবে হাজার পাগলামি আমার হয়তো সন্ধ্যা এসে প্রকৃতির আদেশে মিথর কৃষ্ণনীড় রং ছড়াবে তর বোল। এক পাখি থামিয়ে ডাকাডাকি হঠাৎ তব্দতার গান শুনবে, ফিরবো সেই পথে আবার সঙ্গে সাত সাগর বাধার সঙ্গে সেই স্থীর মন ঢেউ গুনার শেষ সমাপ্ত মানুষের শেষ কথা আর এটাই বাস্তবতার চরম শিখর, ভালবাসা প্রত্যেক মানুষের জীবনে বয়ে আনে আনন্দের সীমারেখা আমি তোমাকে পছন্দ করি এবং ভালবাসি আর এটাই সত্য। আজ থেকে একহাজার শীত বসন্ত শেষে এই পথে যদি আছি আবার , সঙ্গে সেই সৃতিভর রংচটা সেই গিটার, সেই অহংকার আগুন, সেই জোয়ার, এইতো সব থাকবে ,সেই আগেকার মতোই পাবো কি দেখা রাজশ্রী তেমার ।হয়তো পথের ধারে পাবো বারে বারে আমার শৈশব কৈশর অমলনীল, পাবো মায়ের আচল প্রিয়া বধূর কাজল, অগভীর ধান শিরির দিন প্রতিদিন, থাকবে একলা চলা নয়তো সঙ্গে বল। থাকবে হাজার পাগলামি আমার হয়তো সন্ধ্যা এসে প্রকৃতির আদেশে মিথর কৃষ্ণনীড় রং ছড়াবে তর বোল। এক পাখি থামিয়ে ডাকাডাকি হঠাৎ তব্দতার গান শুনবে, ফিরবো সেই পথে আবার সঙ্গে সাত সাগর বাধার সঙ্গে সেই স্থীর মন ঢেউ গুনার শেষ সমাপ্ত মানুষের শেষ কথা আর এটাই বাস্তবতার চরম শিখর, ভালবাসা প্রত্যেক মানুষের জীবনে বয়ে আনে আনন্দের সীমারেখা আমি তোমাকে পছন্দ করি এবং ভালবাসি আর এটাই সত্য।

তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা





আসসালামু আলাইকুম ( তোমার উপর আল্লাহর  রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)
আমার লিখনী খুবই ক্লান্ত শ্রান্ত,মাঝে মাঝে চলতে গিয়ে থেমে যায়,বিকলাঙ্গ হয়ে যায় সম্মহনী শক্তি,নয়তো ক্লান্ত পথিকের মত মিলে চলে সময়ের নিরিক্ষনে, রনে ভেঙ্গে যায় যার স্থায়ীত্ব।তবে,গতিবেগ সম্প্রসারনের গতি ধারায়,কখনো বিলাপ করে,নিরবে অশ্রু ঝড়ায়,কখনো ত্রিশুল বনে বক্ষে বিঁধে।
যাহোক, 
              প্রাপ্তির জোয়ার তবে নি:স্বম্বল,তেল পর্যাপ্ত কিন্তুু নিরর্থক,সাহিত্য বাজারের নিক্ষিপ্ত বসন্ত।ইতিহাসের অস্তাকুর যার মহাস্তান।তবু পরিচালকের প্রচন্ড প্রত্যাশাই চলনশক্তি জোগায়।সেআ শক্তিই হলো লেখকের ভালোবাসা,প্রীতি,প্রেমের টান,
প্রেম কাকে বলে আমি জানিনা,তবে আমি প্রেম সাহিত্বের দাবিদার।
প্রীয়া…………..!
                         তোমার কাছে এটাই হয়তো পরিক্রমার শেস লেখা,তাই আমার “দু কলম”বক্ষে জড়িয়ে রাখিও।
আমি নই সু’দর্শন,সু’ব্যক্তিত্ব,তবু ও ভালোবাসিও।আসলে প্রেম বুঝাবো কিভাবে?আমি তো প্রেম সাগরের অতলে নিমজ্জিত।
কি লিখবো….?
                        তোমার লেখাকে আমি কুর্নিস করি, পাঠ করি শ্রদ্ধা ভরে।যা আমার কাছে অসাধ্য।
মনের মাঝে তিব্র জ্বালা,যদি হতাশা বক্ষ ফাটাইয়া বলতে পারতাম বা কলিজা ফাটাইয়া দেখাইতে পারতাম,তাহলে হয়ত অন্তর জ্বালা কিছুটা হলে ও নিরাময় হতো।
কেন তোমাকে কস্ট দিলাম?কেন আমি তোমার ভালোবাসার মুল্য বুঝলামনা?তোমায় দু:খ দিয়ে আমি অনেক খুশি আছি?
আমার হৃদয় ফেটে যাচ্ছে দু:খের তিব্র যন্ত্রনায়।আমার চক্ষু বন্ধ হয়ে আসছে দু:খের লোনাজলে।
আমি হতভাগা,এখন বুঝছি,কেন এই লক্ষি মানুষটা কে কস্ট দিলাম?
প্রিয়া……!!
                 আমায় মেরে ফেললে ও এত কস্ট পেতাম না।তুমিই পারবে এই কস্ট লাঘব করতে।
তুমি বন্ধু।তুমি চির আপন।তুমি প্রিয়া।তুমি প্রেম,ভালোবাসা।তুমি মোর সাহিত্য,মোর সাধনা,অল্পনা,কল্পনা,উন্মাদনা।
সত্যিই সব কিছুকে শাক্ষি রেখে বলছি,আমি তোমাকে ভালোবাসি,আমি প্রেমক নামের কলংক নই,আমি সত্য,কারন আল্লাহর জন্য হৃদয় উজার করে তোমায় ভালোবাসি।
প্রিয়া…………..!!
                            তোমায় আমার নয়ন জলে ভিজিয়ে অশান্ত এই হৃদয় টাকে শান্ত করতে চাই,তবু ও তোমার প্রেম ভিক্ষা চাই।
তুমি আমার প্রানের চেয়ে প্রিয়,তুমি পবিত্র, তুমি আমার হৃদয়ের রানি-মহারানি।
জানিনা পড়তে-পড়তে তোমার অনুভুতি কেমন হচ্ছে।আশা করি ভালো লাগবে।
প্রীয়া..!! হে আমার প্রেম তরির কাপ্তান।তুমি মহিনী প্লাবন।
লেখা দ্বারা বুঝাতে পারবো না কত যে তোমায় ভালোবাসি।
প্রীয়া…!!
              তোমায় কস্ট দিয়ে আমি শান্তি পাবোনা।তোমায় ধোকা দিয়ে আমি দোযখের অনল থেকে পরিত্রান পাবোনা।আমি আমার বিবেকের নিকট দাড়াতে পারবোনা।
প্রীয়া………!!!
                       জিবনে কখনো তোমায় অবিশ্বাস করিনি।করবো ও না।কারন তোমাকে পেয়েছি বিপুল গুনের সমাহার মিলন কেন্দ্র।
……..!!!
              লেখাগুলো লিখছি এক নিস্তব্দ মৃত্যুপুরীতে বসে।সকলেই ঘুমে বিভর।কিন্তুু এই হতভাগার চোখে বিন্দু পরিমান ঘুম নেই। সকলের মাঝে তোমাকে খুজছি।তোমার হৃদয়ের বিশ্বাস খুজছি।তুমি এখনো বুঝতে পারছোনা তোমায় কেমন ভালোবাসি?
বাস্তব প্রীয়া………..!
                               কখনো আমার লিখনি এতো দু:খ প্রকাশ করেনি।এতো আবেগ ঢালেনি।এত অন্ত কথা প্রকাশ করেনি।যতটুকু এখন প্রকাশ করছে।বীরামহীন ভাবে লিখে যাচ্ছে আমার দু:খ, আবেগ, মুর্ছনা।
শত দু:খের মাঝে ও তোমার সেই স্নৃগ্ধ হাসি খুজে বেড়াই আপন মনে।তোমার হৃদয়ের সামান্য ভালোবাসার আশে অধরে বিলাপ করছি।
তুমি কি করছো জানিনা।তুমি ও আমার মতো ভাবছো কিনা?
নাকি গভির ঘুমে তলিয়ে মৃত্যু পূরিতে একাকার হয়ে হেছো?
প্রিয়া…….!!!আমি পার ছিনা খনিক সময়ের জন্য তোমাকে ভুলে যেতে।প্রিিয়া……..!!!এর থেকে বেশি ভালোবাসা বুঝাতে হলে আমার দিন শেষ হয়ে যাবে।রাত শেষ হয়ে যাবে।বক্ষ ফাটিয়ে আমার চিৎকার করতে হবে।অথবা:-বিলাপে-বিলাপে নয়নদ্বয় অতিষ্ঠ হয়ে খুন ঝরাতে থাকবে।
তবু ও কি আমার ভালোবাসার মাত্রা বুঝতে পারনি?
তাহলে আর কিভাবে বুঝাবো তোমায়?
লিখতে-লিখতে চোখের জলে একিভুত হয়ে লিখনীটা ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।শরীরের স্পন্দন বেড়ে চলছে,ডান হস্ত ব্যথাক্রান্ত হয়ে গেছে।
প্রীয়া………!!!তোমার মাঝে কি পেয়েছি জানিনা।তবে তোমাকে ভালোবেসেছি অন্তরের অন্তস্থঃতল থেকে।
***তবু ও কি তুমি ধারনা করছো আমি তোমায় বিশ্যাস করিনা?***
প্রিয়া……!!!আমার মন শান্ত হবেনা তোমার ভালোবাসা ছাড়া।আমায় শান্তনা দাও প্রেম দিয়ে।ভালোবাসা দিয়ে।এবং নিবৃতনিশিতে বিধাতার কাছে দোয়া কোর আমার জন্যে,আমি ও করবো কথা দিলাম।


*****কথা দাও তুমি কখনো দুরে যাবেনা আমায় ছেড়ে।আমায় রাখবে তোমার হৃদয়ের গভীরে।ভালোবাসবেনা কখোন আমায় ছেড়ে অন্য কাউকে।নষ্ঠ করবেনা আমার ভালোবার সন্মান কে।কথা দাও!!! প্রীয়া কথা দাও আমায়……………..!!!!!*****


আর পারছিনা হৃদয়ের অভীব্যক্তি প্রকাশ করতে।তবু বলছি আমি তোমায় ভালোবাসি।
হ্যাঁ প্রিয়া!!!!  
                   সত্যিই তোমায় খুব ভালোবাসি।তুমি দিপাধার জলন্ত জ্যামিনি।আলোক রশ্নি।তুমি হৃদয়। ভালোবার সহযাত্রী।


পরিশেষে:-
                 ভালোবাসি ও আমায়, বিশ্বাস  কর,আমার লেখা থেকে অন্তরের কথা বুঝার চেষ্টা কর। please
প্রিয়া………!!!
                    আমি কুঁড়ে-কুঁড়ে আমার এই হৃদয়ের কাঁদা মাটিতে দাফন হয়ে চিরদিনের মত এই অশান্ত পৃথিবী থেকে বিদায় নেব।( )ভালোবাসা+আদর্শ+সততা+বিশ্বাস


****(((চীরদিনের মত বক্ষে জড়িয়ে রাখিও আমার এই পত্র খানি অনুগ্রহ করে)))****


                                    ইতি
                 তোমার জন্য পাগল ছেলে 
                                    

ছেলেদের জীবন

ভালবাসা হল দুটি মন এর মিলন ।

জাতীর মুখে চুনকালি

এখানে একটা ড্রাইভার

এর মুখে চুনকালি নয় এটা আমাদেে জাতীর মুখে চুনকালি। যে সরকার জাতীর মুখে চুনকালি মারতে পারে সে সরকার কখনোও জাতীর উন্নতি করতে পারে না উন্নতির নামে সরকারের স্বার্থ হাসিল ছাড়া আর কিছু করছে না। এ সরকার নিজের আসন টিকে রাখতে যা ইচ্ছে জনগণ এবং বিরোধী দলের উপর অন্যায় অবিচার যা ইহচ্ছে করছে। মনে রাখবেন সে সরকার কোন দিন দেশ ও জনগণের কোন উন্নতি করতে পারে না। কোন দল থেকে বলছি না। একবার আপনার বিবেক দিয়ে বিচার করে দেখুন সঠিক বিচার করতে পারবেন আশা করি।