জাতীর মুখে চুনকালি

এখানে একটা ড্রাইভার

এর মুখে চুনকালি নয় এটা আমাদেে জাতীর মুখে চুনকালি। যে সরকার জাতীর মুখে চুনকালি মারতে পারে সে সরকার কখনোও জাতীর উন্নতি করতে পারে না উন্নতির নামে সরকারের স্বার্থ হাসিল ছাড়া আর কিছু করছে না। এ সরকার নিজের আসন টিকে রাখতে যা ইচ্ছে জনগণ এবং বিরোধী দলের উপর অন্যায় অবিচার যা ইহচ্ছে করছে। মনে রাখবেন সে সরকার কোন দিন দেশ ও জনগণের কোন উন্নতি করতে পারে না। কোন দল থেকে বলছি না। একবার আপনার বিবেক দিয়ে বিচার করে দেখুন সঠিক বিচার করতে পারবেন আশা করি।

Advertisements

বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এস কে সিনহা যা বললেন

যুক্তরাষ্ট্রেও ভীতিকর অবস্থায় আছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। তিনি বলেছেন, সেখানেও তার ওপর নজরদারি করা হচ্ছে। শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায় ওয়াশিংটন জাতীয় প্রেস ক্লাবে নিজের লেখা বই ‘অ্যা ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল’ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ বইয়ের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বাংলাদেশের পরিস্থিতি সবাইকে জানানোর চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও অন্যান্য খাতও তিক্ত হয়ে উঠেছে। বইটি বাংলাদেশের জন্য একটি শিক্ষণীয় বিষয় হতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিচারপতি সিনহা নিজের লেখা বইয়ের অংশবিশেষ বর্ণনা করে বক্তব্য রাখেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তিনি ৫০ মিনিটের মতো নিজের বইয়ের অংশবিশেষ নিয়ে সূচনা বক্তব্য রাখেন। তারপর ৩৫ মিনিট প্রশ্নোত্তরে অংশ নেন। তার বই লেখায় অনেকের অর্থ দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের অভিযোগের ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়। বিচারপতি সিনহা এমন অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা নেননি কারো কাছ থেকে। তার কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। রাজনৈতিক দলের কাউকে তার আশপাশে ভিড়তে দেন না। তিনি দাবি করেন, বিচারপতি হিসেবে তার জীবনের শেষ দিনগুলো খুবই কঠিন। বিব্রতকর। ওই দিনগুলো সম্পর্কে তার যে অভিজ্ঞতা তিনি তা বইয়ে তুলে ধরেছেন। তার কাছে তার বর্তমান স্ট্যাটাস বা অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে এসকে সিনহা বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে এখন একজন শরণার্থী। সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। সেই আবেদন এখনও প্রক্রিয়াধীন আছে। কোনো স্ট্যাটাস না থাকায় তিনি লন্ডনে হাউজ অব কমন্স, জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেও যোগ দিতে পারছেন না। তিনি জানান, তার চেয়ে ভয়ের বিষয় হলো তিনি এখন ভীতিকর অবস্থায় আছেন। বাসাতেই সময় কাটান। কারণ, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তার ওপর মনিটরিং করছে। ফলে তিনি তাদের রাডারের মধ্যে রয়েছেন। ওই সংস্থার কর্মকর্তারা তার বাসায় যান। বাসার ছবি তোলেন। সিনহার কাছে বিরোধী দল বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়ার জেলজীবন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। বলেছেন, মামলাটি আদালতে বিবেচনাধীন আছে। তাই এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানো সমীচীন নয়। তবে এস কে সিনহা বলেন, যেদেশে একজন প্রধান বিচারপতি ন্যায়বিচার পান না সেখানে একজন সাধারণ নাগরিক কি করে ন্যায়বিচার পাবেন? কি আচরণ পাবেন?

তিনি প্রশ্নোত্তরে বর্তমান সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। বলেন, এই সরকার ২০১৪ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে ভারতের সমর্থনে। পরে এ সরকারের পক্ষে সমর্থন আদায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে লবিং করে ভারত। এটা করেছে ভারত তার নিজের লাভের জন্য। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ভারতবিরোধিতা বন্ধ করেছে দক্ষতার সঙ্গে। এই কৃতজ্ঞতাবোধ থেকেই এসব করেছে ভারত। ভারত তার নিজের স্বার্থে এসব করলেও তাতে ভারতের ক্ষতি হবে বলে মন্তব্য করেন এস কে সিনহা। তিনি বলেন, ভারত আওয়ামী লীগকে অতিমাত্রায় সমর্থন দিলে তাতে ভারতবিরোধিতা আরো বাড়বে। ফলে ভারতের প্রতিপক্ষ যেমন পাকিস্তান, এখানেই তেমন ‘আরেকটি পাকিস্তান’-এর মুখোমুখি হতে হবে তাদের। এস কে সিনহা আরো বলেন, ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু মাত্র চারটি পত্রিকা রেখে বাকি পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে যেভাবে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনার এখনকার শাসনও সেই রকম। তার কাছ থেকে সিনহা সেই একই আচরণের শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেছেন, ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে বঙ্গভবনে ডেকে নেন। সেখানে তার সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও এটর্নি জেনারেল। এস কে সিনহা বলেন, সেখানে গিয়ে দেখি তারা আগে থেকেই বসা। বিচারপতি এস কে সিনহা দাবি করেন, তারা তাকে রায় পাল্টাতে বলেন। কিন্তু তাদের প্রস্তাবে তিনি রাজি হননি। এরপর তার সঙ্গে কোনো সৌজন্যতা দেখানো হয়নি। সিনহা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন- আমি আপনাকে চিফ জাস্টিস বানিয়েছি। সিনহা এর জবাবে বলেন, আপনি বানাননি। আমাকে এ পদ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

যে কারণে বাড়ছে দুর্নীতি।

দুর্নীতির জন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন নেই। বর্তমান সরকার আর প্রশাসকগন কে অনুসরন করলেই দুর্নীতিরর শীর্ষ হতে পারবে। আগামী দিনের তরুন ও যুব সমাজ। কথাটা বলার কারন বর্তমান ছেলে মেয়ে শিক্ষা অর্জন করে অর্থ উপার্জন ও নিজেকে প্রভাবশালি করার জন্য । কেন এমন টা করছে তারা? এখানে যদি বলি তারা যেমন টা দেখছে শুনছে সে ভাবে গড়ে উঠছে বলা ভুল হবে না । যেখানে শিক্ষা অর্জন করে দেশ ও জাতির মঙ্গলকর কাজ করার জন্য কিন্তু হচ্ছে উল্টো টা। এ জন্য দায়ী বর্তমান সরকার এবং প্রশাসন।

যে কারণে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী।

বাংলাদেশের আইনের শাসনের প্রচন্ড্র অভাব।
দুর্নীতি,দুঃশাসন, অত্যাচার-নির্যাতন, অবিচার, অপকর্ম দেশে ছেয়ে গেছে।
একের পর এক অপকর্ম করে দুস্কৃতরা সন্ত্রাসী পার পাওয়ায় তারা বে পরোয়া হয়ে উঠেচে।
তারা আর ভাল -মন্দ, উচিত- অনুউচিত পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিচ্ছে না।
যা খুশি তাই করছে । সরকার দেখে না দেখার ভান করছে। পুলিশ ; তাদের সাহায্য করছে।
আইন তাদের স্পর্শ করছে না। এ কারণেই ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী করে পার পাচ্ছে।

গণতন্ত্র মুক্তি পাক, জালিম সরকার নিপাত যাক

শেখ হাসিনা সরকার জনগণেরর উপর যে ভাবে অত্যাচার , জুলুম ,লুটপাট আর মিথ্যা মামলা, হামলা করছে, গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করছে. শাসন এর নামে শোষণ করছে এই অবৈধ সরকার, এ দেশকে দিন দিন ধংস করে দিচ্ছে, উন্নয়নের নামে নিজের স্বার্থ হাসিল করছে এই সরকার। একটি গণতন্ত্রে দেশে অগণতান্ত্রিক সরকার পুলিশ দিয়ে জনগণের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে টিকে আছে কেবল । এ দেশের মানুষ গণতন্তের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিল অথচ জনগণকে এখন উল্টোটা ভোক করতে হচ্ছে। শেখ হাসিনা সরকার কোন দলকেই সহ্য করতে পারে না অথচ রাষ্ট্রের বিধান অনুযায়ী প্রত্যেক সরকার তার দেশের জনগণ এবং বিরোধী সরকার প্রতিদ্বন্দ্বী করে ও রাষ্ট্রের গণতন্ত অনুযায়ী সরকার নির্বাচিত হয়ে থাকে। রাষ্টের জনগণ তাদের দাবি জানাতে বিক্ষোভ, মিছিল, হরতাল করার অধিকার রাখে অথচ জনগণের অধিকার আদায় করতে গেলে সরকার নির্মুম ভাবে হত্যা চালাতে থাকে। যা কখনোই একজন দেশপ্রমিক সরকার করতে পারে না। এই সরকারের শুনাগুন এভাবে বলে শেষ করা যাবে না। তাই আমাদের সচেতন হতে হবে যে এই সরকার আইন নিজেরাই ভংগ করছে শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য। আর যে সরকার নিজেদের জন্য আইনের অপব্যবহার করে সেই সরকার কখনই দেশপ্রেমি বা দেশের উন্নয় করতে পারে না। তাই আমি বলতে চাই দেশের জনগণকে আর হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না। আমাদের গণতন্ত্রকে আমাদেরকেই ফিরে আনতে হবে ।

সত্যিই কি ভালবাসে আপনার মনের মানুষ

আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা আপনাকে সত্যিই ভালবাসে নাকি আপনার শুধু দেহ ভোগ করার জন্য, বিবাহর আগে যদি আপনার সাথে যদি সেক্স করতে চায় তবে তাকে নিষেধ করুন, তাছারা মনে রাখবেন বিবাহর আগে যদি আপনে সেক্স করেন তবে এই সেক্স করা হবে যেনা করা যা পাপ কাজ, এখন যদি আপনি তাকে নিষেধ করেন তবে আপনি পাপ কাজ থেকে বিরত হলেন, এটা আপনার একটা উপকার হল এবং আরেক টা হল আপনাকে যদি আপনার প্রেমিক আপার সাথে সত্যি কারের ভালনাবাসে তবে আপনাকে সে আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে যে আমি তোমাকে সত্যিকার ভালবাসি তার কথায় আপনি গলে যাবেন না মনে রাখবেন সে আপনার সাথে প্রতারণা করবে আর প্রতারকরা সাধারনত এমনই হয়, এবং দেখবেন যে আপনার সাথে আপনা আপনিই ব্রেকআপ হয়ে যাবে . আর যদি আপনার কথায় রাজি হয় অর্থাৎ আপনার সাথে খারাপ কাজ না করতে চায় , ধরে নিতে পারেন সে আপনাকে ভালবাসে। আর যদি কোন প্রেমিকা কোন প্রেমিককে তার সাথে আচার আচারন খারাপ করে যেমন আপনি যদি তার সাথে খারাপ কাজ করতে চায় আর যদি সে রাজি হয় তবে তার সাথে রিলেশন করা বাদ দিন কারণ তার ভালবাসা পবিত্র নয় আর এমন ভালবাসায় কখনও শান্তি হতে পারে না , আনার মনে নানা রকম প্রশ্ন জাগতে পারে বিবাহর আগে আমার সাথে এমন খারাপ কাজ করেছে নাজানি আর কত জনের সাথে না এমন কাজ করেছে আর এমন প্রশ্ন হওয়া টাই সাভাবিক , আরেক টা কথা যে আপনাকে সত্যিকারের ভালবাসে সে আপনাকে সকল পাপ কাজ হতে বিরত থাকার চেষ্টা করবে , এবং অযথা আপনার কাছে তেমন কিছু চাইবেনা ** ধন্যবাদ সবাইকে **

কিছু কথা রয়ে গেল মনের অগোচরে!

সবার মনের ভিতরেই কিছুনু না কিছু কষ্ট লুকানো থাকে। হোক সেটা ছোট কিংবা বড়। কিন্তু কিছু কিছু কষ্টের কারণ কারো কাছেই ব্যক্ত করা যায়না।সেই কোষ্টগুলো সবসময় অব্যক্ত রয়ে যায়। মনের অগোচরে জানতে পারে না নিজের মা অথবা জন্মদাতা পিতা। জানতে পারে না খুব কাছের বেস্টফ্রেন্ডটিও। এমন কি সেই প্রিয় মনের মানুষটির কাছেও তা বলা হয় না যার সাথে সবকিছু শেয়ার না করলে পেটের ভাত হজম হয় না। হ্যাঁ কিছু কিছু কষ্ট একান্ত নিজেরই। সেই কষ্টের ভাগ কাউকেই দেয়া যায়না। খুবই ব্যক্তিগত থাকে সেই কষ্ট গুলো। সেই কষ্ট গুলো তখনই খুব বেশি করে আমাদের মনের মাঝে উকি দেয় যখন আমরা রাতের আধারে একাকি নির্জনে কাটাই । বার বার সেই কষ্টের স্মৃতি গুলো তখন মনের মাঝে উকি দিতে থাকে দেখানো যায় না কাউকে। অজান্তেই চোখের কোণে দেখা যায় বিন্দু বিন্দু অশ্রুজল। আবার কখনো কখনো আয়নার সামনে দাড়ালে অশ্রুজল দিয়ে দুগাল ভিজে যায়।আবার যখন নিঝুম রাতে একাকি থাকি ভাবতে ভাবতে রাতটি পেরিয়ে যায়। সবার অগোচরেই থেকে যায় তা। কেউ দেখে না সেই চোখের পানি। সবাই যে নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। সবাই ঘুমে মশগুল পরের দিনে একটা সুন্দর সকাল উপভোগের জন্য। কিন্তু অগোছালো আমার কষ্ট নিয়ে বেচে থাকা মানুষ শুধু অভিনয় করে দিন পার করে দেই।দিনের আলোয় হেসে খেলে মজ মস্তি করে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় মেতে থাকি।আমাদের আনন্দ দেখে কেউ বুঝতে পারবে না যে আমরা রাতের বেলায় চোখের জল ফেলি। ভেতর থেকে কত খানি খানি সে টা শুধু আমিই জানি। হঠাৎ মন খারাপ করে বসে থাকলে হয়তো কোনো বন্ধুর নজরে ধরা পরি। কাছে এসে যদি জিজ্ঞেস করে, কি রে কি হয়েছে,মন খারাপ নাকি? তখন উত্তর দেয়ার মতো কিছুই থাকে না। তারপরও বলি, আমি ঠিক আছি। কেউ যদি কখনো জিজ্ঞেস করে ,কেমন আছিস? তখন সেই চিরন্তন মিথ্যা বাক্যটাই উচ্চারণ করি, হ্যাঁ অনেক ভালো অনেক সুখে আছি। হয়তো খুব বেশি ভালো নেই তবে অনেকের চেয়ে তো অনেক ভালো আছি।অনেকে আবার কষ্ট লাঘব করারর জন্য বিভিন্ন রকম নেশা করে। খুব বেশি কষ্ট পাওয়া মানুষ গুলো শুধু বেচে থাকার অভিনয় করতে থাকে। মনের মৃত্যু হয়ে গেলে কি হবে, দেহ যে এখনো জীবিত। তাই মরে গিয়েও বেচে থাকার অভিনয় করতে হয় । খুব বেশি ডিপ্রেশনকে মেনে নিতে না পেরে মরে যেতে চায় বার বার কিন্তু পারেনা। সে মরে গেলে তো চলবে না। তার জীবন টা যে কতজনের সাথে জড়িয়ে আছে। মা বাবা চেয়ে আছে তার দিকে ছোট ভাইবোন গুলো তো ছাড়তে চাইবে না। তাই কষ্টগুলো মনের মাঝে পুষে রেখেই নিজেকে অভিনয়ে ব্যস্ত রাখতে হয় । নিজের জন্য না হলেও অন্যের জন্য অন্তত বেচে থাকতে হবে। সবাই যে তার দিকে তাকিয়ে আছে। তাই নিজের কষ্টগুলো মনের মধ্যেই চেপে রেখে অন্যের মুখে হাসি ফুটাবার জন্য চলতে হয় ।
কখনো কখনো মনে হয়, না এভাবে আর নয়। নিজেকে বদলাতে হবে। জীবনকে আবার নতুন করে সাজাতে হবে। সব কষ্ট ধুয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। অতীতকে ভুলে যেতে আবার নতুনভাবে জীবনকে রাঙ্গাতে হবে । একসময় অনেক পরিবর্তন হয়ে যায় সেই মানুষ গুলো। ছোট ছোট কস্ট গুলোকে তখন আর কস্ট মনে হয়না। এর পর ত্যাগ করতে হয় শেষ নিশ্বাস টুকু।

আবেগিয়ো মন আমার

মাঝে মাঝে রাতের জোছনার মাঝে হারিয়ে যাই, আনমনে উদাস দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি আধারে সীমাহীন সীমানায়। ভীরু কন্ঠে থেকে থেকে বলে উঠি নির্বাক আজ আমি, সীমাহীন দৃষ্টিতে সীমারেখা, অন্তত পথের মাঝে প্রাচীর, সপ্নের হাতে হাতকড়া আর নীল আকাশের বুকে জমাট বাধা কালো মেঘ। আমার পৃথিবী আমার কল্পনায়। ******বেলাল হোসেন*******

এবছর গরম হবে অসহনীয় এতে মানুষসহ হাঁপিয়ে উঠবে প্রাণীকুল

সারাদেশে গরমে অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে এবার দ্বিগুন । এতে হাহাকার করবে মাঠসহ রাস্তাঘাট । সর্বত্র চলছে তাপপ্রবাহ। খরতাপে মানুষসহ প্রাণীকুল হাঁপিয়ে উঠতে পারে ।বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে । আকাশে নেই কোনো মেঘের বলয়। এতে সূর্যের তাপ বায়ুমণ্ডলে কোনো বাধা না পেয়ে সরাসরি ভূ-পৃষ্ঠে চলে আসায় বেড়ে যাচ্ছে গরমের তীব্রতা। এই পরিস্থিতি মনে হচ্ছে প্রতি বছরের চেয়ে এবার আরো বেশি প্রভাব ফেলবে। এছারাও দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি ও ঝড় হতে পারে। মানুষের সময় কাটবে অসহনীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে। তাই এতে কোন সন্দেহ নেই যে প্রতিবছর য় চেয়ে এবার গরমে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে বেশি। “তাই আমাদের আগে থেকেই সাবধান হওয়া উচিত”।